আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য
---Advertisement---

দুর্নীতি-অপশাসন ঢাকতে ধর্মীয় বিভাজনের বীজবপন ! তৃণমূল-বিজেপিকে নিশানা সেলিমের

---Advertisement---

রাজ্যে দুর্নীতি ও অপশাসনের সাম্রাজ্যকে বাঁচাতে শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিশানা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। আর এই কাজে তৃণমূলের সরকারকে মদত দেওয়ার অভিযোগ করলেন কেন্দ্রের বিজেপির সরকারের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূলের এই চক্রান্তে বাংলায় সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতি চালানো হচ্ছে।

রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে সিপিআইএমের কৃষক সংগঠনের একটি জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদ সেলিম। সেখানেই তিনি রাজ্য ও কেন্দ্রের শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হন। রাজ্যের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধুলিসাৎ করে দেওয়ার অভিযোগ করলেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক।

মহম্মদ সেলিম বলেন, “আমাদের ঠাকুমা-ঠাকুর’দারা যাঁরা স্কুলে যেতে পারেননি, তাঁদের পরবর্তী প্রজন্ম সরকারি স্কুল পড়াশোনা করে শিক্ষিত হয়েছে। কিন্তু, আজকে কেন্দ্র হোক বা রাজ্য সর্বত্র সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হচ্ছে। সবকিছুর বেসরকারিকরণ করে দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রে মোদি বলছে, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় আম্বানি-আদানি তৈরি করবে। আর বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব একে-একে বন্ধ করে দিচ্ছেন।”

রাজ্যের স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন সেলিম। তিনি বলেন, “34 বছরের বাম শাসনে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে হাজার-হাজার প্রাথমিক স্কুল বন্ধ হয়েছে। গরিব কৃষক, শ্রমিক ও আমার-আপনার মতো সাধারণ মানুষের সন্তানরা কোথায় পড়াশোনা করবে ? যাঁদের অর্থ নেই তাঁদের আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিয়েছে।”

এর পিছনে তৃণমূলের দুর্নীতির সাম্রাজ্যকে বাঁচিয়ে রাখার চক্রান্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন সেলিম। তিনি বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ, বালি পাচার, কয়লা পাচার-সহ রাজ্যে হেন কোনও দুর্নীতি নেই যেটা এই সরকার করেনি। আজকে যাঁদের স্কুলে গিয়ে পড়ানোর কথা, সেই শিক্ষকরা রাস্তায় বসে রক্ত ঝরাচ্ছেন নিজেদের ন্যায্য দাবিতে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। যাতে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেউ প্রশ্ন তুলতে না-পারে।”

আর এসবে বিজেপি পিছন থেকে তৃণমূলকে সাহায্য় করছে বলে অভিযোগ করেন সেলিম। তাঁর মতে, “সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বীজ মানুষের মস্তিষ্কে বপন করা হচ্ছে। যাতে মূল সমস্যা থেকে মানুষের নজর ঘুরিয়ে দেওয়া যায়। এতে সাহায্য় করছে বিজেপি। সম্প্রদায়িক ভেদাভেদ তৈরি করে। আরজি কর আন্দোলনের সময় সরকারের ভিত কেঁপে গিয়েছিল। ঠিক তখন বাংলাদেশ ইস্যুকে বড় করে তোলে বিজেপি। সেখানেও সাম্প্রদায়িক বিভাজন। এতে লাভ হল কার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে চাকরি বাতিল ইস্যুতে সরকার ফের ফাঁপড়ে পড়েছিল। ঠিক সেইসময় মুর্শিদাবাদে সাম্প্রদায়িক হানাহানি। এখানেও লাভবান হলেন মমতা। আর এতে সাহায্য় করছে শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর বিজেপি।”

বাংলাকে এই ‘সাম্প্রদায়িক বিভাজনে’র অসুখ থেকে বাঁচাতে লালঝান্ডাকে শক্তিশালী করার বার্তা দিলেন সেলিম। তিনি বলেন, “যে সাম্প্রদায়িকতার রোগ বাংলার মানুষের মস্তিষ্কে তৃণমূল ও বিজেপি ঢুকিয়েছে, তাকে স্বমূলে নষ্ট করতে হলে লালঝান্ডাকে মজবুত করতে হবে।”

Suman Ghorui

Experienced Social Media Creator sharing tips & tricks for building a successful online presence. Follow my journey to grow your own brand and monetize your content.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment